সাফল্য ধরে রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে স্বীকৃতি উদ্‌যাপনে আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলাস্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার যোগ্যতা অর্জনের পেছনে অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে গড়ে তুলে তাকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে রেখে যান। আজকে সেখান থেকে বাংলাদেশকে সরকার উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘের ওই স্বীকৃতি উদ্‌যাপনে আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ১৭ মার্চ ছিল জাতির পিতার ৯৯তম জন্মদিন। ওই দিন আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের এই সুসংবাদটি পাই। জাতির পিতার জন্মদিনে আমাদের জন্য এর চেয়ে বড় উপহার আর কী হতে পারে! ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংক আমাদের নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দেয়। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সনদ পেল।’

স্বল্পোন্নত বা গরিব বলে কেউ আর বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করতে পারবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত দিন অনেকেই আমাদের গরিব বলে উপহাস করেছে। একসময় বাংলাদেশকে “তলাবিহীন ঝুড়ি” বলে কটাক্ষ করেছে। কিন্তু আজকে আমরা তাদের কাতারে উঠে এসেছি। এ অর্জন আন্তর্জাতিক মহলে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এবং আমাদের অবস্থান শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে।’

তবে এই অর্জনকে ধরে রাখতে হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই যাত্রাপথ যেন থেমে না যায়। আমরা তো যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করে দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? অন্যের কাছে কেন হাত পেতে চলব? আমরা যে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি, সেটা তো আজকে আমরা প্রমাণ করেছি।’

‘২০২১ সাল নাগাদ আমাদের লক্ষ্য মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া। দেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্য মুক্তভাবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।